শতবর্ষে ইস্টবেঙ্গলের কিছু অনন্য নজীর।।
সারা দেশব্যাপি সভ্য সমর্থক দ্বারা পালিত হচ্ছে ইস্টবেঙ্গল ক্লাবের গর্বের শতবর্ষ। ঝড়, জল সব রকম, বাধা বিপত্তি পেরিয়ে আজও ময়দানে লাল-হলুদ রং আলো ঝরাচ্ছে। দিনে দিনে গড়ে ওঠা ইস্টবেঙ্গলের এই আভা ভারতীয় ফুটবল কে পরিপূর্ণতার রুপ দিয়েছে। দেখে নেওয়া যাক ইস্টবেঙ্গলের গড়া কিছু অনন্য নজীর।
![]() |
| ইস্টবেঙ্গল মাঠ। ছবিঃ অভীক ব্যানার্জি |
1925 সালে প্রথম ডার্বি ইস্টবেঙ্গল মোহনবাগানকে 1-0 গোলে হারায়. গোলদাতা নেপাল চক্রবর্তী
1936 সালে বড়ো গোলের ব্যবধানে প্রথম ডার্বি জয়. ইস্টবেঙ্গল -4 মোহনবাগান -0
1946 সালে স্বামী নায়ার একমরশুমে 36 গোল করে ছিলেন. লীগের ইতিহাসে এখনো পর্যন্ত এটাই রেকর্ড.
1948 সালে চীনের অলিম্পিক দলকে হারানো. প্রথম ভারতীয় দল হিসাবে ঘরের মাটিতে কোনো বিদেশী দলকে হারানোর রেকর্ড.
1949 থেকে 1951 শিল্ড জয়. প্রথম ভারতীয় দল হিসাবে টানা তিনবার শিল্ড জয়.
1951 সালে ব্রিটিশ আলমানক এ প্রথম ভারতীয় ক্লাব হিসাবে স্থান পায়. এই বছরই সুইডেনের বিখ্যাত ক্লাব গোটবার্গকে 1-0 গোলে ইস্টবেঙ্গল হারায়.
বিশ্ব যুব ফুটবল টুর্নামেন্টে অংশগ্রহণ করতে গিয়ে রোমানিয়া সফরে গিয়ে লেবাননকে 6-1 গোলে হারানো এবং গ্রাজ এ কে কে 2-0 হারানো, সেমিফাইনাল যাওয়া এবং তারপরে 1953 সালে সোভিয়েত ইউনিয়ন সফরে যাওয়া. টর্পেডো মস্কোর সাথে 3-3 ড্র করা. বাকী ম্যাচ গুলোয় প্রতিকূল পরিস্থিতিতে (ওতো ঠান্ডায় ভারতীয় দের খেলার অভ্যাস ছিলো না তাও আবার খালি পায়ে )ফলাফল আশাপ্রদ না হলেও প্রথম কোনো ভারতীয় ক্লাবের ইউরোপ সফর. ডক্টর রাজেন্দ্র প্রাসাদ ইস্টবেঙ্গলকে ভারতের সেরা ক্লাব হিসাবে অভিহিত করেন.
বিশ্ব যুব ফুটবল টুর্নামেন্টে অংশগ্রহণ করতে গিয়ে রোমানিয়া সফরে গিয়ে লেবাননকে 6-1 গোলে হারানো এবং গ্রাজ এ কে কে 2-0 হারানো, সেমিফাইনাল যাওয়া এবং তারপরে 1953 সালে সোভিয়েত ইউনিয়ন সফরে যাওয়া. টর্পেডো মস্কোর সাথে 3-3 ড্র করা. বাকী ম্যাচ গুলোয় প্রতিকূল পরিস্থিতিতে (ওতো ঠান্ডায় ভারতীয় দের খেলার অভ্যাস ছিলো না তাও আবার খালি পায়ে )ফলাফল আশাপ্রদ না হলেও প্রথম কোনো ভারতীয় ক্লাবের ইউরোপ সফর. ডক্টর রাজেন্দ্র প্রাসাদ ইস্টবেঙ্গলকে ভারতের সেরা ক্লাব হিসাবে অভিহিত করেন.
ছবিঃ দেবরাজ ঘোষাল
ইরানের পাস ক্লাবকে হারিয়ে 1970 সালে ঐতিহাসিক শিল্ড জয়.
1969 থেকে 1974 পর্যন্ত টানা 1936 দিন ডার্বি অপরাজিত থাকা
1972 সালে শিল্ড, ডুরান্ড, রোভার্স জিতে ভারতীয় ফুটবলের প্রথম ত্রিমুকুট জয়ের নজির. সেবার লীগ ও বড়দৈল ট্রফি ও পাই আমরা
1972 ও 1991 সালে একটিও গোল না খেয়ে লীগ জয়.
উত্তর কোরিয়ার পিয়ং ইয়ং সিটিকে হারিয়ে 1973 এর শিল্ড জয়
1973 এ উত্তর কোরিয়ার ডক গ্যাং রো র সাথে ডি সি এম ট্রফি ফাইনালে পর পর দুদিন ম্যাচ ড্র হয় এর পরে তৃতীয় দিন উক্ত কোরিয়ান দলটি খেলতে অস্বীকার করায় ইস্টবেঙ্গল চ্যাম্পিয়ন ঘোষিত হয়. সেদিন সুধীর কর্মকারকে টপকাতে পারেনি ডক গ্যাং রো দল. পি কে ব্যানার্জীর মতে সুধীর কর্মকারের জীবনের সেরা ম্যাচ ওই ম্যাচটাই.
1970 থেকে 1975 টানা ছয়বার লীগ জয় পরে 2010 থেকে 2017 পর্যন্ত টানা আটবার লীগ জয়. এই নজির এখনো পর্যন্ত কারোর নেই.
1975, 1977 লীগে সব ম্যাচ জিতে চ্যাম্পিয়ন
1975 শিল্ড ফাইনালে মোহনবাগানের বিরুদ্ধে 5-0 জয়. ডার্বির ইতিহাসে এটাই সবচেয়ে বড়ো জয়
1993 ওয়াই ওয়াই কাপ জয়. এছাড়া ও এ এফ সি টুর্নামেন্টে ইরাকী দল আল জারা কে 6-2 গোলে হারানো ঘরের মাঠে. কার্লটন চ্যাপম্যান হ্যাটট্রিক করেন ইরাকী ক্লাবের বিপক্ষে
2003 এ জাকার্তায় আসিয়ান কাপ জয়
|
|
|
ছবিঃ দেবরাজ ঘোষাল
2004 সান মিগুয়েল কাপ. এই 2004 সালে ইস্টবেঙ্গল ইংল্যান্ড সফর করে লেস্টার সিটির সাথে ম্যাচ খেলতে. আর্সেনাল থেকে Martin Keown যোগ দেন সেই সময়ে. সেই Martin Keown সমৃদ্ধ লেস্টার এর কাছে বিতর্কিত পেনাল্টি থেকে গোল খেয়ে 1-0 গোলে হার. সেই পেনাল্টি নিয়ে সন্দেহের অবকাশ আছে.
প্রথম দল হিসাবে পর পর দুবার জাতীয় লীগ জয় 2002-03 ও 2003-04.মোট তিনবার জাতীয় লীগ জিতি আমরা.
2010 থেকে 2017 অবধি টানা কলকাতা লীগ আট বার জয়
ফেডারেশন কাপ জয় 1978-79(যৌথ ভাবে মোহনবাগান এর সাথে ), 1981(যৌথ ভাবে মোহনবাগান এর সাথে ), 1985, 1996, 2007, 2009-10, 2010, 2012
2013 সালে এ এফ সি কাপে একটি ম্যাচও না হেরে সেমি ফাইনাল খেলার কৃতিত্ব অর্জন করা।.
এভাবেই লেসলী ক্লডিয়াস সরণীর এই ক্লাব, বটবৃক্ষের ন্যায় সমস্ত ঝড়,জল পেরিয়ে ময়দানকে নিজের মশালের আগুনের আলোতে পথ দেখিয়ে আসছে সেই ১৯২০ সাল থেকে।
এভাবেই লেসলী ক্লডিয়াস সরণীর এই ক্লাব, বটবৃক্ষের ন্যায় সমস্ত ঝড়,জল পেরিয়ে ময়দানকে নিজের মশালের আগুনের আলোতে পথ দেখিয়ে আসছে সেই ১৯২০ সাল থেকে।









Sera collection...r Etai amader gorbo
ReplyDelete