২৮ বছর আগের ফিরে দেখা কিছু স্মৃতি
কপিল দেব রাম লাল নিখাঞ্জ, যাকে আমরা সবাই জানি কপিল দেব নামে। ভারতের অন্যতম সেরা অল-রাউন্ডার। যার ক্যাপ্টেনসির জোরে, ভারত প্রথম বারের মতন ক্রিকেট বিশ্বকাপে জয়ী হয়।
ক্রিকেটার হিসাবে নাম-যশ অর্জন করলেও ফুটবল তার আরেক ভালবাসা। আজথেকে ২৮ বছর আগে, অর্থাৎ ১৯৯২ সালের ২২ জুন তার ভালবাসা পরিপূর্ণতা পায় ইষ্টবেঙ্গল ক্লাবের হাত ধরে। ১৬ জুন কপিল দেব ইষ্টবেঙ্গলের হয়ে সই করেন এবং ২২ জুন যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনে তিনি ম্যাচ খেলেন। তাও আবার বহুল প্রচলিত ডার্বি ম্যাচ। যদিও ব্যাঙ্গালরে ঘটা আকস্মিক দাঙ্গার জন্য, এই ম্যাচটি আয়োজন করা হয়, মানে প্রদর্শনী ম্যাচ হিসাবে খেলা হয়। তাতে কি, একেতে কপিল দেব তারওপর বাঙালির চিরাচরিত বাঙাল-ঘটির যুদ্ধের আবহতে, যা হবার তাই হয়েছিল। প্রায় আশি হাজার দর্শক নিয়ে খেলা শুরু হয়।
মারাদোনার ভক্ত কপিল দেব সেই ম্যাচে পরিবর্তিত হয়ে নেমে, মাঠে থাকে সাতাশ মিনিট। এমনকি তখন কার ইষ্টবেঙ্গল দলের ক্যাপ্টেন কুলজিত সিং এর পরিবর্তন হিসাবেই তিনি মাঠে নামেন।
কপিলদেবের এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন " যুবভারতীর এই পরিবেশ অবিশ্বাস্য, কল্পনাই করা যায় না, যে একটা প্রদর্শনী ম্যাচ দেখতেও এত মানুষ আসতে পারেন। ৭০-৮০ হাজার দর্শকের এই সমাগম, আমাকে ভেতর থেকে উজ্জীবিত করে তোলে। কিন্তু দুঃখ হয় যে ম্যাচ টা বাতিল হয়ে যায়" (বৃষ্টির জন্য সেকেন্ড হাফের মাঝেই ম্যাচ বাতিল করা হয়)।
আগের বছর অর্থাৎ ২০১৯ সালে, ইষ্টবেঙ্গল ক্লাবের পক্ষ থেকে তাকে ক্লাবের সর্বচ্চ সম্মান, ভারত গৌরব সম্মানে ভূষিত করা হয়। স্মৃতির পাতা হাতরে তিনি বলেন "সুভাষ দা(তৎকালীন রাজ্য-খেলমন্ত্রী) আর পল্টু দার সাহায্যেই স্কুলজীবনের পর, প্রথম ফুটবলের জুতো পরে মাঠে নামলাম।" তিনি এও জানান যে, এখন ফুটবল আর ইষ্টবেঙ্গল এর নিয়মিত খবর না রাখলেও, মাঝে মধ্যে খোঁজ খবর নেন তার প্রিয় ক্লাবের। তার মতে ২০০৩ সালের দলই তার দেখা সর্বকালের সেরা দল। ভাইচুং ভুটিয়া তার পছন্দের ফুটবলার। আশিয়ান জয়ী সেই দলের খেলা তিনি নিয়মিত দেখেছেন, এমনকি টিভিতে বেকতেরো সাসানাকে, হারিয়ে ইষ্টবেঙ্গল ক্লাবের ইতিহাস সৃষ্টির সাক্ষীও থেকেছেন। ২০০৩ সালের জুলাই মাসে দ্য টেলিগ্রাফকে আশিয়ান জয়ী দলকে নিয়ে এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন " সত্যি বলতে, আমি জানতাম না, বর্তমানের এই দল এত ভাল, এবং এত ভাল ফল করবে। দেশ অবশ্যই গর্বিত, আমি অভিভূত আমার দলকে আজ এই জায়গায় পৌছতে দেখে।" তিনি বলেন " যদিও আমি (বাইচুং) ভুটিয়ার খেলা দেখতে পছন্দ করি বেশী, তাও এই দলে ওরমতনই সব তারকাখচিত ফুটবলার রয়েছেন। আমি অবশ্যই শনিবার টিভির সামনে বসে দলের খেলা দেখব।"
ক্রিকেটার হিসাবে নাম-যশ অর্জন করলেও ফুটবল তার আরেক ভালবাসা। আজথেকে ২৮ বছর আগে, অর্থাৎ ১৯৯২ সালের ২২ জুন তার ভালবাসা পরিপূর্ণতা পায় ইষ্টবেঙ্গল ক্লাবের হাত ধরে। ১৬ জুন কপিল দেব ইষ্টবেঙ্গলের হয়ে সই করেন এবং ২২ জুন যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনে তিনি ম্যাচ খেলেন। তাও আবার বহুল প্রচলিত ডার্বি ম্যাচ। যদিও ব্যাঙ্গালরে ঘটা আকস্মিক দাঙ্গার জন্য, এই ম্যাচটি আয়োজন করা হয়, মানে প্রদর্শনী ম্যাচ হিসাবে খেলা হয়। তাতে কি, একেতে কপিল দেব তারওপর বাঙালির চিরাচরিত বাঙাল-ঘটির যুদ্ধের আবহতে, যা হবার তাই হয়েছিল। প্রায় আশি হাজার দর্শক নিয়ে খেলা শুরু হয়।
মারাদোনার ভক্ত কপিল দেব সেই ম্যাচে পরিবর্তিত হয়ে নেমে, মাঠে থাকে সাতাশ মিনিট। এমনকি তখন কার ইষ্টবেঙ্গল দলের ক্যাপ্টেন কুলজিত সিং এর পরিবর্তন হিসাবেই তিনি মাঠে নামেন।
কপিলদেবের এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন " যুবভারতীর এই পরিবেশ অবিশ্বাস্য, কল্পনাই করা যায় না, যে একটা প্রদর্শনী ম্যাচ দেখতেও এত মানুষ আসতে পারেন। ৭০-৮০ হাজার দর্শকের এই সমাগম, আমাকে ভেতর থেকে উজ্জীবিত করে তোলে। কিন্তু দুঃখ হয় যে ম্যাচ টা বাতিল হয়ে যায়" (বৃষ্টির জন্য সেকেন্ড হাফের মাঝেই ম্যাচ বাতিল করা হয়)।
![]() |
| বাঁদিক থেকে, দেবব্রত সরকার, কপিল দেব, অরুপ বিশ্বাস ভারত গৌরব সম্মান তুলে দেবার মুহূর্তে |
আগের বছর অর্থাৎ ২০১৯ সালে, ইষ্টবেঙ্গল ক্লাবের পক্ষ থেকে তাকে ক্লাবের সর্বচ্চ সম্মান, ভারত গৌরব সম্মানে ভূষিত করা হয়। স্মৃতির পাতা হাতরে তিনি বলেন "সুভাষ দা(তৎকালীন রাজ্য-খেলমন্ত্রী) আর পল্টু দার সাহায্যেই স্কুলজীবনের পর, প্রথম ফুটবলের জুতো পরে মাঠে নামলাম।" তিনি এও জানান যে, এখন ফুটবল আর ইষ্টবেঙ্গল এর নিয়মিত খবর না রাখলেও, মাঝে মধ্যে খোঁজ খবর নেন তার প্রিয় ক্লাবের। তার মতে ২০০৩ সালের দলই তার দেখা সর্বকালের সেরা দল। ভাইচুং ভুটিয়া তার পছন্দের ফুটবলার। আশিয়ান জয়ী সেই দলের খেলা তিনি নিয়মিত দেখেছেন, এমনকি টিভিতে বেকতেরো সাসানাকে, হারিয়ে ইষ্টবেঙ্গল ক্লাবের ইতিহাস সৃষ্টির সাক্ষীও থেকেছেন। ২০০৩ সালের জুলাই মাসে দ্য টেলিগ্রাফকে আশিয়ান জয়ী দলকে নিয়ে এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন " সত্যি বলতে, আমি জানতাম না, বর্তমানের এই দল এত ভাল, এবং এত ভাল ফল করবে। দেশ অবশ্যই গর্বিত, আমি অভিভূত আমার দলকে আজ এই জায়গায় পৌছতে দেখে।" তিনি বলেন " যদিও আমি (বাইচুং) ভুটিয়ার খেলা দেখতে পছন্দ করি বেশী, তাও এই দলে ওরমতনই সব তারকাখচিত ফুটবলার রয়েছেন। আমি অবশ্যই শনিবার টিভির সামনে বসে দলের খেলা দেখব।"



No comments:
Post a Comment