EAST BENGAL

[East Bengal][bsummary]

ISL

[ISL][bigposts]

International Football

[World Football][twocolumns]

ইষ্টবেঙ্গলের আই এস এল খেলা নিয়ে আবার ধোঁয়াশা।

ইষ্টবেঙ্গলে শতবর্ষ আর বিতর্ক যেন এখন একে অপরের পরিপূরক।  ইষ্টবেঙ্গল শেষ প্রতিদ্বন্দ্বিতামূলক খেলেছিল মার্চের শেষ সপ্তাহে। তারপর কোরনা মহামারির জন্য সব খেলা বাতিল হয়ে গেলেও, বিদেশিরা থেকে যায় কলকাতাতেই। এর মধ্যে কোচ মারিও এবং তিন স্পেনীয় ফুটবলার পেরেজ,কোলাড, এস্পাদা
বাড়ি ফিরে গেলেও কলকাতায় থেকে জান, নোদার, কাশিম এবং জনি অ্যাকোস্টা। অবশেষে তিন মাস পরে কোচিং স্টাফসহ সকল কে, বাড়ি পাঠাতে সক্ষম হলেন, বিললগ্নীকারি সংস্থা কোয়েস। জনি, ক্ষোভ উগড়ে দিয়ে মঙ্গলবার নিজ-খরচায় চলে জান দিল্লি, অবশ্য লগ্নিকারির মধ্যস্ততায় শনিবার ভোরে নিউ-ইয়র্ক এবং সেখান থেকে যাবেন হিউস্টন। পরে সেখান থেকে ধরবেন কোস্টারিকার বিমান। অন্যদিকে শুক্রবার মুম্বই হয়ে মাদ্রিদ উড়ে জান নোদার।

তবে এই তিন বিদেশই ফোস মেজর সম্পর্কিত কোয়েসের সম্মতিপ্ত্রে সই করেননি। তিনজনেই বলে গিয়েছেন, ৩১ জুলাইয়ের মধ্যে এপ্রিল ও মে মাসের পেমেন্ট কলকাতার ব্যাঙ্কে জমা না পড়লে, তারা ফিফায় দ্বারস্থ হবেন। আইদারা,জনিদের সাথে ৩১ মে চুক্তি শেষ হলেও আরেক বিদেশি কোলাডোর সাথে ২০২১ এর মে অবধি চুক্তি রয়েছে। তিনি ইতিমধ্যেই আইনজীবীর চিঠি পাঠিয়ে দিয়েছেন। আর তিনি যদি ফিফায় জান, তো বিদেশি সংখ্যা হবে চার। ফলে ২০১৮ সালের চুক্তির ১৪.৩ ধারা অনুসারে কোয়েসের কাছ থেকে "লেটার অব টার্মিনেশন" পাওয়া কঠিন হয়ে গেল ইষ্টবেঙ্গল কর্তাদের। এদিকে সুত্র অনুযায়ী বিশেষ শর্ত, দেশিয় ফুটবলার দের অনেকেই মেনে নেননি।
এই সপ্তাহেই ইষ্টবেঙ্গলের তরফ থেকে, আইনি চিঠি দিয়ে কার্যত "আলটিমেটাম" দেওয়া হয় কোয়েস কে। পরিষ্কার বলা হয়, "লেটার অব টার্মিনেশন" দিয়ে দিন, না হলে ২০১৮ সালের চুক্তিকে সম্মান জানিয়ে দেশের সেরা লিগ খেলবার ব্যবস্থা ক্রুন( অর্থাৎ তৃতীয় বছরের মধ্যে আইএসএল খেলা)। এর আগে ফুটবল সত্ত্বা, এখন চুক্তিভঙ্গ সবমিলিয়ে শতবর্ষ বেশ দুঃখদায়ক হিসেবেই রয়ে যাবে, ইষ্টবেঙ্গল সমর্থকদের মনে। শোনা যাচ্ছে বিচ্ছেদের ইস্যুতে কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই তারা পথে নামবেন।

No comments:

Post a Comment