EAST BENGAL

[East Bengal][bsummary]

ISL

[ISL][bigposts]

International Football

[World Football][twocolumns]

কোয়েস কর্তা অজিত আইস্যাক এবং কিছু মিডিয়া হাউসের পাল্লায় নাজেহাল ইস্টবেঙ্গল, পড়ুন ইষ্ট সমর্থক-এর কলমে।

১. ক্লাব কোয়েসের কাছ থেকে ৩ কোটি টাকা পায়। যেটা কোয়েস কোনো ভাবেই দেবে না স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে মেল করে।
২. মুখ্যমন্ত্রী ঘনিষ্ট এক শিল্পপতির সাথে মুখ্যমন্ত্রীর উদ্যোগে বার বার ক্লাবের মিটিং হয়। কিন্তু সে করোনা পরিস্থিতি তে ৪-৫ কোটি টাকার বেশি স্পনসর এই মুহুর্তে করতে পারবে না। তাই একে কো- স্পনসর হিসেবে ক্লাব রাখতে চাইছে।
৩. এক বিশ্ববিখ্যাত সংস্থার সঙ্গে ক্লাবের চুক্তি প্রায় পাকা। কোয়েস noc না দিলে সংস্থার সঙ্গে চুক্তি ফাইনাল করে ঘোষণা করা যাচ্ছে না।
৪. কোয়েস যেহেতু ৩ কোটি টাকা না ছাড়লে noc দেবে না, তাই ক্লাব এই টাকাটা ছেড়ে দিতে রাজি।
৫. ক্লাব ফেডারেশনের কাছে অনুরোধ জানিয়ে চিঠি দেয় যে তারা noc ছাড়াই নিজেরাই Eastbengal FC নামে ক্লাব লাইসেন্সিং করতে চায়। কারন লাইসেন্সিং হয়ে গেলে পরে ক্লাব কোয়েসের চুক্তিভঙ্গ অভিযোগ নিয়ে ৩ কোটি টাকার জন্য কোর্টে যেতে পারে যাতে পরবর্তী তে।
৬. ফেডারেশন চিঠি পাঠায় বোর্ড অফ ডিরেক্টর কমিটি তে যাতে ইষ্টবেঙ্গলের অনুরোধ ভেবে দেখা হয়। আর এইটা মেল করে ক্লাব কে জানায় ফেডারেশন। এই মেলটাই কেউ অজিত আইজ্যাক কে লিক করেছে। যার ফলে আইজ্যাক ফেডারেশন এ পাল্টা মেল করে যে ইষ্টবেঙ্গলের সাথে বিচ্ছেদ প্রক্রিয়া এখনো সম্পন্ন হয় নি। এখনো ইষ্টবেঙ্গলের ফুটবল রাইটসের মালিক কোয়েস। তাই তারা noc না দেওয়া অব্দি ইস্টবেঙ্গল ক্লাব যেন অন্য কোনো কোম্পানির সাথে বা নিজেরা লাইসেন্সিং করতে না পারে।
৭. ইস্টবেঙ্গল ক্লাব যদি বিনা শর্তে কোর্ট পেপারে চুক্তি করে ৩ কোটি টাকা ছেড়ে দিতে রাজি হয়, তাহলে দু -তিন দিনের মধ্যে কোয়েস noc দিয়ে দেবে। আইজ্যাক ক্লাব কে মেল করে এটা জানিয়েছে।
কিন্তু কিছু মিডিয়া শুধু 6নম্বর পয়েন্ট টা কে হাইলাইট করে একটা বিভ্রান্তি ছড়ানোর চেষ্টা করছে. এটা থেকে একটা জিনিস স্পষ্ট যে কিছু শ্রেণীর মানুষ সমর্থকদের মধ্যে একটা অশান্তি এবং বিভাজন তৈরির একটা সুক্ষ প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে.
কারণ টা কি আর কেন? কারণ কিছু বিশেষ সাংবাদিকের পড়শি ক্লাবের তদানীন্তন কর্তার সম্পর্ক টা মালিক আর শ্রমিক এর. উনি নিজের রুজির তাড়নায় পদলেহন করবেন সেটি একটি স্পষ্ট সত্ত্বা. ওনারা নিজেদের ইতিহাস বিক্রি করতে পারেন এবং নিজেদের বাড়ি বিক্রি করে নিজের বাড়িতে ভাড়াটিয়া হতে পারেন সেটা ওনাদের নিজস্য ব্যাপার. কিন্তু দুটো ক্লাব আর শ্রেণীর মানুষের মানসিকতায় ও শিরদাঁড়ায় এক আমূল তফাৎ আছে যা প্রতিটি সিদ্ধন্তে লোকচক্ষুর সামনে উন্মোচিত হয়. ওনাদের অসুবিধা তখন হয়ে যাবে যখন ওনাদের চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী শিরদাড়া বিক্রি না করে আই এস এল খেলবে.. আর সেটা সোল ওনাদের অভ্যন্তরে গৃহযুদ্ধের সম্ভাবনা প্রবল হয়ে উঠবে.. তাই হয়তো উনি নিজের অন্নদাতা কে নিরাপদ আশ্রয়ে রাখার জন্যে এই ধরণের নোংরা সাংবাদিকতা বৃত্তি করে চলেছেন. কিন্তু আমাদের কেন পৃথিবীর কোনো ক্লাব আর সমর্থক দের সম্পর্ক মালিক কর্মচারীরা হয়না. ওনারা ক্লাব বেচে নিজেরা কর্মচারী করে দিতে পারেন সমর্থকদের. কিন্তু ইস্টবেঙ্গল সেটা না করায় কোথাও জেনো ওনারা আগাম গৃহযুদ্ধের সম্ভাবনা দেখতে পেয়ে আমাদের নিয়ে কুৎসা চালিয়ে যাচ্ছেন.. দুলাল বাবু আপনার যদি সৎ সাহস এবং আপনার পেসার প্রতি সৎ দায়বদ্ধতা থাকে তাহলে আপনার মালিক যে ক্লাব এর কর্তা সে ক্লাব এর মার্জ হওয়ার চুক্তির শর্ত গুলো জনসমক্ষে আনুন. আমরা জানি সে ক্ষমতা আপনার নেই কারণ আপনি সাংবাদিক হতে পারেন কিন্তু পদলেহন ছাড়া আর কোনো কর্মক্ষমতা অন্তত আপনার নেই.. তাই এই নোংরামো থেকে বিরত থাখুন.

No comments:

Post a Comment