ইষ্টবেঙ্গলের আর্থিক দাবি মানতে নারাজ কোয়েস, বাগানে বিতর্ক
কোয়েসের সঙ্গে গাঁটছড়া বেধে পথ চলা শুরু সেই ২০১৮ থেকে, কিন্তু তারপর থেকেই ধীরে ধীরে তাল কাটতে থাকে ক্লাবকর্তা আর ইনভেস্টর গোষ্ঠীর মধ্যে, গত মে মাসের ৩১ তারিখ বিচ্ছেদ সম্পন্ন হলেও, সমস্যা সেই অব্যাহত। কোয়েস আর ইষ্টবেঙ্গলের মধ্যে সমস্যা কবে মিটবে, এটাই এখন ময়দান থেকে নেটপাড়ায় বহুল চর্চিত বিষয়।সরকারি ভাবে বিচ্ছেদ হয়ে যাবার পরেও, ফুটবল রাইটস এখনও পায়নি ইষ্টবেঙ্গল। এদিকে চুক্তি অনুযায়ী ইষ্টবেঙ্গলের বকেয়া ২ কোটি টাকার সঙ্গে গত বছরের আরও কিছু আর্থিক বোঝা ইষ্টবেঙ্গলের ঘারে চাপিয়ে হাত ঝেরে ফেলতে চাইছেন, ইনভেস্টর সংস্থা কোয়েস। যার আর্থিক সংখ্যা প্রায় ৩ কোটি। এর সাথে ফুটবলারদের চুক্তিভঙ্গের সমস্যা আছেই। বিশ্বস্ত সুত্রে খবর ফুটবল রাইটস হাতে চলে আসা স্রেফ সময়ের অপেক্ষা এবং সরকারি ভাবে ঘোষণা করাও। কিন্তু তার জন্য কিছু আপোষ করতে হবে ক্লাব কর্তাদের। ফেডারেশন ইতিমধ্যেই ক্লাবের লাইসেন্সিং পর্ব চালু করে দিয়েছে, সে ক্ষেত্রে এএফসির ক্লাব লাইসেন্সিং শর্তাবলি পূরন করতে হলে, ফুটবল স্বত্ব ইষ্টবেঙ্গলকে নিজেদের হাতে আনতেই হবে। যার ফলে ইষ্টবেঙ্গল চাপে আছে তা কোয়েস কর্তপক্ষ ভাল মতন জানে, আর তাই তারা সময়ের খেলা খেলছে। সেক্ষেত্রে ইষ্টবেঙ্গল কে নিজেদের আর্থিক দাবি থেকে পিছু হটতেই হবে, যা বিশাল অঙ্কের ক্ষতি।
এদিকে অ্যামাজনে মারচেন্ডাইস বিক্রি নিয়ে বাগানে বিতর্ক শুরু হল। দেখা যাচ্ছে, চ্যাম্পিয়ন লেখা জার্সি , যা দেবজিত মজুমদার পরে রয়েছেন। তাতে বাগানের প্রতিষ্ঠা সাল হিসাবে ১৮৮৯ থাকলেও ৬০০ টাকা দাম দিয়ে তা কেনবার পর, হাতে পেয়ে অনেক দেখেন জার্সি থেকে সাল উধাও। যা নিয়ে ক্ষোভের মুখে পরেন বাগান কর্তা। পরে ড্যামেজ কন্ট্রোলে নেমে অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে বিবৃতি এন, এটা নিছক ছাপাবার ভুল।
এদিকে অ্যামাজনে মারচেন্ডাইস বিক্রি নিয়ে বাগানে বিতর্ক শুরু হল। দেখা যাচ্ছে, চ্যাম্পিয়ন লেখা জার্সি , যা দেবজিত মজুমদার পরে রয়েছেন। তাতে বাগানের প্রতিষ্ঠা সাল হিসাবে ১৮৮৯ থাকলেও ৬০০ টাকা দাম দিয়ে তা কেনবার পর, হাতে পেয়ে অনেক দেখেন জার্সি থেকে সাল উধাও। যা নিয়ে ক্ষোভের মুখে পরেন বাগান কর্তা। পরে ড্যামেজ কন্ট্রোলে নেমে অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে বিবৃতি এন, এটা নিছক ছাপাবার ভুল।


No comments:
Post a Comment